Google Algorithm: The algorithm stands for a set of rules to solve a problem in a finite number of steps. Google algorithm also stands for high-quality websites with relevant and dynamic content that users stay to read or view and also come back to over and over again or share on their social networks. It also refers to good sites to visit.

Major 8 Google Algorithm
Google Algorithm

There are many algorithms Google has. Major 8 are given below:

  • Panda
  • Penguin
  • Hummingbird
  • Pigeon
  • Mobile-Friendly Update
  • RankBrain
  • Possum
  • Fred

Google Panda Algorithm: 

It is an algorithm that represents the content of the website. When it was launched in 2011, it mainly worked as a filter rather than a part of Google’s core algorithm. 

  • It works in the back-end, not in real-time. Because when a user searches content then there is no need to think about the real-time only need to index google content. 
  • There are some limitations to using this algorithm. they are given below: 
  1. Poor user experience
  2. Duplicate content
  3. Plagiarism
  4. Thin content
  5. User-generated spam
  6. Keyword stuffing

Google Penguin Algorithm:

It is launched as a filter to check some parameters in order to show results in the search engine in 2012 according to Google’s policy and terms. But in 2017 it is recognized as a core algorithm. The targets of this algorithm: 

  • Link schemes: The development, acquisition, or purchase of backlinks from low-quality or unrelated websites and spam links. 

Hummingbird Algorithm: 

It is a core algorithm that was launched in 2013. It works on the user’s Intent (identified as what users actually need to know or explore) and a real-time algorithm. 

  • It did not appear to have drastic negative impacts on the general web link. It represents the knowledge graph. 
  • For example: If anyone searches the Coffee keyword it is not clear to find exact information but the keyword Coffee Near Me represents the Local Intent which works as a real-time also user’s Intent. In Google Voice searches the algorithm played a very important role.

 Google Pigeon Algorithm:  

It is an algorithm which is useful to improve distance and location ranking parameters automatically. It is launched mainly to provide useful, relevant, and accurate local search results that are tied more closely to traditional web search ranking signals. 

For example: If a user searches (Training Center) keyword then search query gives many results but in a ranking list which search result is best mainly defined by that user’s closet location.    

Google RankBrain Algorithm: 

It depends on two main things: Dual Time (refers to a particular time when a user spent on a page) and CTR (Click-Through-Rate). If Google thinks that any page or site has these two things then the ranking automatically gains by Google.

Mobile-Friendly Update:

It is released for Mobile-based web pages. For this reason, it is also known as a Mobile-friendly ranking algorithm. Mostly called as mobilegeddon. This is not just an algorithm update, it was a cultural shift. 

To pivot and adapt to consumer behavior, it was the correct decision made by Google.

Conclusion:

If you are a website owner or an SEO expert or SEO agency owner or you need SEO help then you should know about Google algorithm. Because Google is the most used Search Engine in the world. If you want organic traffic then you need to maintain the guidelines of Google algorithm.

আপনার ই-কমার্স / এফ-কমার্স কে নিশ্চয় আরো বড় পরিসরে করতে চান? কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন আপনার প্রোডাক্ট/সার্ভিস ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল ঠিক রাখা। অনলাইনের এই যুগে আপনার কাঙ্খিত কাস্টমার / ক্লায়েন্ট তো পেয়ে যাবেন কিন্তু তাদের ধরে রাখতে পারবেন শুধুমাত্র আপনার কোয়ালিটি সম্পন্ন সার্ভিসের মাধ্যমে।
boost up tip 1

 

 

 

এখন প্রথম ভিত্তি টা হচ্ছে মার্কেটিং কাস্টমার /ক্লায়েন্ট  ইমপ্রেস করা

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক (ইউজার একটিভিটি ) থাকে সোশ্যাল নেটওর্য়াকে। তার মধ্যে সবচাইতে বেশি ফেসবুকে। এর পরে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামে এখন উল্লেখযোগ্য একটিভিটি এবং লিংকডিন ও তারমধ্যে রয়েছে। এই চার টা যারা ইউজ করে সবাই কিন্তু ফেসবুক ব্যবহারকারী। আর সব চাইতে বেশি সময় ফেসবুক স্ক্রোলে সময় দেয়। তাহলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ইমপ্রেস করা উচিত।

নিচের ছবিতে দেখতে পারছেন ৬ টা ক্যাটাগরী দেয়া আছে। যার প্রথম ৩ টা হচ্ছে আপনি কি দিয়ে / কিভাবে আপনার প্রোডাক্ট / সার্ভিস মানুষের কাছে উপস্থাপন করবেন। বলা যায় এই গুলো হচ্ছে স্ট্রাকচার / ডিজাইন যা কোন কাস্টমার/ ক্লায়েন্ট কি চাচ্ছে তা তাকে সেভাবে দেখানো।

ফেসবুক আপনাকে অ্যাডস ক্রিয়েট এর সময় অ্যাড ম্যানেজারে ১৬ টা ফাঙ্কশন দেয়। আপনাকে বুঝতে হবে কোনটাতে কেমন রেসপন্স আসবে।

এখন আসি পরের ২ টা তে – ছবি দেখে বুঝে গেছেন এই ২ টা হচ্ছে আপনার অডিয়েন্স। প্রথম টা কোর অডিয়েন্স যেখানে আপনি খুঁজে বের করবেন কাদের কাছে আপনার অ্যাডস শো করবেন।
পরের টা হচ্ছে লুকআলাইক অডিয়েন্স এই টা মূলত ব্যাপক ভাবে আপনার সেল ইনক্রিজ করতে পারে। লুকআলাইক অডিয়েন্স করতে হলে কাস্টম অডিয়েন্স ক্রিয়েট করতে হবে।আপনার কাস্টমার / ক্লায়েন্ট এর এমন কিছু তথ্য নিলেন যেমন নাম , ফোন নম্বর ,ইমেইল এই গুলো দিয়ে ডাটাবেস বানালেন এবং ফেসবুক কে বললেন আমার কাস্টমারদের মতো এমন কাস্টমারই শুধু খুঁজে বের করো। তবে মনে রাখতে হবে অবশ্যই তথ্য গুলো যেন ফেসবুকের সাথে রিলেটেড থাকে। সব ঠিক-ঠাক হলে আপনার ডাটাবেসের প্রায় ৬০% কাজে আসবে।

এখন আসি লাস্ট ক্যাটাগরিটা নিয়ে ফেসবুক পিক্সেল এই টা হচ্ছে ১ টা এনালাইটিক টুল যা আপনাকে বিভিন্ন স্ট্যাটিসটিক্স শো করবে এবং এটি ট্র্যাকিং করবে কারা আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকছে কোন মাধ্যমে। তারমানে এই টা ইউজ করবে তারা যারা ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে।


উপরের সব কিছু ছিল বেসিক ধারণা মাত্র। আপনারা যারা ডিপ ড্রাইভ কিংবা ফেসবুক মার্কেটিংয়ের গুন্ বুঝে গেছেন তারা বুঝতেই পারছেন আপনার রিটার্ন ওন ইনভেস্টমেন্ট (ROI) কেমন আসতে পারে। 

 

নিরবচ্ছিন্ন পোস্ট এনগেজমেন্ট বাড়াতে কি করতে হবে ?
কোনো ভাবেই অ্যাড এডিট করা উচিত নয় আর দরকার হলেও বারবার করা উচিত নয়। ভেবে চিন্তে বাজেট কনটেন্ট ইত্যাদি ঠিক করে নিতে হবে।
ইমেজ / ছবি বুস্ট এর জন্য কেমন হওয়া উচিত ?
২০ % এর নিচে টেক্সট বা লিখা থাকলে ভালো এনগেজমেন্ট বাড়ে। আর ইমেজ ঝকঝকে হতে হবে। একাধিক ইমেজ না ব্যবহার করাই ভালো। তবে ক্যারোসল বা অ্যালবাম করা যেতে পারে।
কনটেন্ট কেমন হওয়া উচিত ?
অবশ্যই পয়েন্ট পয়েন্ট করে দেয়া উচিত যাতে খুব দীর্ঘ না হয়। কন্টেন্টে ইমোজি ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত যেন না হয়।
?ভিডিও কেমন কোয়ালিটি হওয়া উচিত ?
১০৮০ পিক্সেল এর বেশি হওয়া ভালো তবে mp4 ভার্সন এ যথেষ্ট। অবশ্যই দীর্ঘ যেন না হয় আর সাউন্ড আর ভিডিও যেন কপি রাইট এ না আসে।
সেল/ সার্ভিস বাড়াতে কেমন পোস্ট দেয়া উচিত ?
ডিরেক্ট সেল বাড়াতে সাথে মেসেজ অপশন এড করে দিতে হবে। আর যদি শোরুম/ স্টোর/ অফিস থেকে কেনা/সেবার জন্য হয় তবে পোস্ট এনগেজমেন্ট বাড়াতে হবে। ওয়েবসাইট এ ভিজিট বাড়াতে চাইলে ভিজিট অপশন এড করে দিতে হবে।

মনে রাখতে হবে কনটেন্ট ইজ দা কিং সুতরাং ইমেজ/ভিডিও এর সাথে মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য ইউনিক আইডিয়া নিয়ে আসতে হবে।

প্রোডাক্ট সিলেকশন খুবই ইম্পরট্যান্ট তাই যে সেক্টরে আছেন না কেন ট্রেন্ডি প্রোডাক্ট বাছাই করুন।

একই পোস্ট প্রোডাক্ট / সার্ভিস কে বার বার বুস্ট করেন, বার বার এডিট করবেন না , প্রাইস ডেলিভারি সিস্টেম ভেবে চিন্তে দিন।

প্রোডাক্ট এর পিকচার অনুরূপ দেয়ার চেষ্টা করুন। অবশ্যই ঝকঝকে পিকচার দিন, ভিডিও কোয়ালিটি ভালো রাখুন।

কনটেন্ট খুব সুন্দর ভাবে দিন যা যা ক্লায়েন্ট / কাস্টমার জানতে চাইবে তা কন্টেন্টে দিয়ে রাখুন। মনে রাখবেন চমৎকার কনটেন্ট ছাড়া আপনি কাস্টমারকে বায়ার বানাতে পারবেন না।

আপনার ক্লায়েন্ট /কাস্টমার আপনার সুন্দর ব্যবহার আর গুরুত্বের উপর বার বার ফিরে আসবে সুতরাং এই টা মেইনটেইন করুন আন্তরিক হন। ভরসা নিয়ে আনুন।

মেসেজ & পোস্ট এর রিপ্লায় দিন লেট করবেন না। একটিভ থাকাটা অনেক জরুরি।

অফার & কুপন ইত্যাদি দিয়ে কাস্টমারকে প্রোডাক্ট / সার্ভিস কিনতে উৎসাহী করুন।

রিমার্কেটিং করতে ভুলবেন না পুরাতন সকল ক্লায়েন্ট /কাস্টমার দের নক করুন। তাদের বিভিন্ন অফার দিয়ে টাচে রাখুন। এই সিস্টেম কে বলে রিটেনশন মনে রাখবেন রিটেনশন ছাড়া আপনার অনলাইন বিজনেস কখনোই স্টার্টআপ থেকে বড় কোনো কোম্পানিতে পরিণত হবে না।

প্রতিদিন অনলাইন ভিত্তিক সব নতুন নতুন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আজ হয়তো ক্লায়েন্ট / কাস্টমার আপনার ক্ষুদ্র ব্যবসা অনলাইন হওয়াতে ট্রাস্ট করছে না কিন্তু কাল হয়তো অনলাইন ভিত্তিক যারা না তাদের ও বিশ্বাস করবে না সুতরাং লেগে থাকুন ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।